
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রহমান বলেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে যুবদল-ছাত্রদলের নেতারা মাইজদী শহরের হাউজিং এলাকার একটি রেঁস্তোরায় বসে খাবার খাচ্ছিলেন। সেখান থেকে সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের আটক করে নিয়ে যায়। বিএনপি শিক্ষার্থীদের চলমান যৌক্তিক কোটাবিরোধী আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। ওই কারণে নোয়াখালীতে কোটা বিরোধী আন্দোলনকে দমাতে সরকার পুলিশকে লেলিয়ে দিয়েছে। তারই অংশ হিসেবে পুলিশ গ্রেপ্তার চালিয়ে নেতাকর্মিদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন,গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রয়েছে। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোটাবিরোধী আন্দোলনের সাথে এই গ্রেপ্তারের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন জেলা পুলিশের এই শীর্ষ কর্মকর্তা। বুধবার দুপুরে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।