ফেনীতে টেন্ডারের ডকুমেন্টস ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে

ঠিকাদারের প্রতিনিধিকে মারধর করে ফেনী সড়ক ও জনপদ ভবন থেকে টেন্ডারের ডকুমেন্টস ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ নেতা সেন্টু মিয়ার বিরুদ্ধে।

ডব্লিউ জি নিউজের সর্বশেষ খবর পেতে https://worldglobal24.com/latest/ গুগল নিউজ অনুসরণ করুন

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভবনের গ্যারেজে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত সেন্টু মিয়া ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা যুবলীগের সদস্য। তিনি আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সোনাগাজী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজিজুল হক হিরনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। অভিযোগ জানা গেছে, সোনাগাজী-নোয়াখালী সংযোগ সড়কের সাহেবের ঘাট ব্রিজের টোল আদায়ে ইজারাদার নিয়োগে টেন্ডার আহ্বান করে ফেনীর সড়ক ও সেতু বিভাগ। টেন্ডার জমাদানের সপ্তম ধাপের শেষ দিনে টেন্ডার জমা দিতে আসেন আমান ফারহান ট্রেডার্সের নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আলী আক্কাস। তাঁকে ডেকে সেতু ভবনের নিচে গ্যারেজে নিয়ে সেন্টু, টিপুসহ অজ্ঞাত ৩০ জন মিলে তুলে নিয়ে মারধর করেন। এ সময় তাঁর হাতে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও টেন্ডারের ডকুমেন্টস ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডার আহ্বানে সেন্টুর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘সেন্টু এন্টারপ্রাইজ’ ছাড়া আর কোনো প্রতিষ্ঠানের আবেদন পড়েনি। মারধরের শিকার আমান ফারহান ট্রেডার্স ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মো. আলী আক্কাস জানান, সেন্টুসহ অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় ফেনী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে যুবলীগ নেতা সেন্টু মিয়া জানান, তিনি অসুস্থ। আজকে বাড়ি থেকে বের হন নাই। কেউ তার বিরুদ্ধে হয়তো ষড়যন্ত্র করছে। ফেনীস্থ সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী বিনয় কুমার পাল বলেন, টেন্ডার জমা দেওয়ার সময় বাঁধা দেওয়ার একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। আমরা দরপত্র পুনরায় আহ্বান করবো।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম চৌধুরী অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। সত্যতা পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

শেয়ার করুন:

Recommended For You