পদ্মা সেতু শুধু একটি সেতুই নয়, এটা আমাদের সক্ষমতা, আমাদের আবেগ এবং এটা বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পদ্মা সেতুর জন্য আমি গর্ববোধ করি বলেও জানান তিনি। শনিবার (২৫ জুন) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্যে শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যার নেতৃত্বে আমরা এই বাংলাদেশ পেয়েছি সেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুবিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভারে স্মরণ করছি। জাতীয় তিন নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। ৭৫এর ১৫ আগস্টের ঘাতকের বুলেটে নিহত হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।
পদ্মা সেতু নির্মাণ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সেতু নির্মাণের সময় আমাদের অনেক ষড়যন্ত্র পোহাতে হয়েছে। অনেক যন্ত্রণা পোহাতে হয়েছে আমার ছেলে জয়, মেয়ে পুতুল, শেখ রেহানা, রেদোয়ান মুজিব, সাবেক যোগাযোগমমন্ত্রী আবুল হোসেনসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি সহমর্মিতা জানাই।
শেখ হাসিনা এসময় দেশবাসীসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, যারা এই পদ্মা সেতুর জন্য জমি দান করেছেন। তাদের এ ত্যাগের জন্য ধন্যবাদ জানাই।
সকাল ১০টায় পদ্মা সেতুর মাওয়া পয়েন্টে এ সমাবেশ শুরু হয়। এতে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর আগে সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী হেলিকপ্টার।
এদিকে বেলা ১১টা ১২ মিনিটে মাওয়া পয়েন্টে টোল পরিশোধের পর উদ্বোধনী ফলক ও ম্যুরাল-১ উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সেখানে মোনাজাতেও যোগ দেবেন। তিনি বেলা ১১টা ২৩ মিনিটে মাওয়া পয়েন্ট থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন। প্রধানমন্ত্রী বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে জাজিরা পয়েন্টে পৌঁছে সেতু ও ম্যুরাল-২ এর উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করবেন। সেখানেও মোনাজাতে যোগ দেবেন তিনি।
দুপুর ১২টায় মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়িতে সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে আয়োজিত জনসমাবেশে যোগ দেবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বিকেল সাড়ে ৫টায় হেলিকপ্টারে জাজিরা পয়েন্ট থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
ডব্লিউজি/এমএ